দীপু-অপুর সম্পদের পাহাড়, অবৈধ আমদানি-রপ্তানির অভিযোগ

দীপু-অপুর সম্পদের পাহাড়, অবৈধ আমদানি-রপ্তানির অভিযোগ

মাত্র ১০ বছরের ব্যবধানে সামান্য মুদি দোকানির ছেলে থেকে অঢেল ধন সম্পদের মালিক মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ের দুই সহোদর দীপু-অপু। সিএন্ডএফ ব্যবসা দৃশ্যমান হলেও ভুয়া নামে চলে আমদানি-রপ্তানিও। দীপুর বিরুদ্ধে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের দায়ের করা কন্টেইনার পাচার মামলার তদন্ত করতে গিয়ে তাদের সম্পদের পাহাড় দেখে বিস্ময়ে হতবাক তদন্তকারীরা।

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ডোহরী গ্রামের এই টিনের চালা ঘরেই জন্ম অপু-দীপুর। চালা ঘরের পাশেই এখন মাথা উচু করে অর্থ বিত্তের জানান দিচ্ছে মার্বেলে মোড়ানো বিলাসবহুল বাড়ি। দুই বছরের বেশি সময় ধরে নির্মান কাজ চলা বাড়িতে এখন চলছে মার্বেল লাগানো ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ।

ইসলামপুরের মুদি দোকানি বাবা ফজলুর রহমান ছেলে-মেয়েদের নিয়ে মোটামুটি সচ্ছল সংসার চালালেও সম্পদ ছিল সীমিত। কিন্তু তার দুই ছেলে গত এক দশকে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের পূর্ব আগানগরে এই চাকলাদার টাওয়ারের মালিক দীপু-অপু। এখানে প্রায় ২০ কাঠার ওপর বহুতল এই মার্কেটেটের পুরোটাই বাণিজ্যিক স্পেস।

এর অদুরেই নগরমহল নদীধারা রোডের একে টাওয়ারও কিনেছেন কয়েক বছর আগে। স্থানীয় লোকজন জানান, গত ৫ বছরে এখানেই এ ধরণের আরো তিনটি মার্কেট কিনেছেন তারা।

শুধু কেরানীগঞ্জেই নয়, ঢাকার ইসলামপুরের গুলশানআরা সিটির এই দোকানের মালিক দীপু। এমন চারটি দোকান কিনে ভাড়া দিয়েছেন তিনি।

ওয়ারীর ৪/এ হেয়ার স্ট্রীটের ৩/সি এপার্টমেন্টের মালিকও দীপু। এই ভবনেই আরেকটি এপার্টমেন্ট আছে ভাই অপুর নামে। এর বাইরেও আছে স্থাবর অস্থাবর অনেক সম্পদ

তার মায়ের দাবি কষ্টার্জিত ব্যবসার টাকায় এসব সম্পদ কিনেছেন। এলাকায় জনসেবাও করেন তারা। তবে ছেলেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে শাস্তি চান মা লায়লা বেগম।

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের ব্যাপারে দুদককে আরো কঠোর হওয়ার পরামর্শ টিআইবির।

দীপু-অপুর জ্ঞাত আয় বর্হিভুত সম্পদ তদন্তের ভার দুদককে দেয়া হবে বলে জানায় সিআইডি।

Leave a Comment